বিসমিল্লাহীর রাহমানির রাহীম


Home » »

যে ১০টি দেশ মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ!

Site: <.>.>>..1
[img]https://encrypted-tbn0.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcTFRtsCjc4xtvErfAy4ZhUGWCuNJp7ruFMH9ZH1gtQFk50I0t4cec8vASjbBg[/img]ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম, লাইফস্টাইল কন্ট্রিবিউটর, সময়ের কণ্ঠস্বর। বিশ্বের অনেক দেশেই আজও মেয়েদেরকে হিংসা ও অবজ্ঞা করা হয়। এরা নানাভাবে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়। কর্মস্থল, রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি নিজ গৃহেও এরা নিরাপদ নয়। এই নির্যাতনের মাত্রা ও ধরণ ভিন্ন ভিন্ন দেশে ভিন্নভাবে হতে পারে। সম্প্রতি “দি নিউ ইকোনমি ডট কম” এ মেয়েদের জন্য খারাপ এমন ১০টি দেশের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তালিকা প্রদান করেছে থম্পশন রাইটার্স ফাউন্ডেশন। জানা যাক দেশগুলো সম্পর্কে: ১. আফগানিস্তান: মহিলাদের সাথে সংঘটিত অপরাধের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান। এদেশে নিরক্ষর মহিলার সংখ্যা শতকরা ৮৭ ভাগ। যার মধ্যে শতকরা ৭০-৮০ ভাগ মেয়ের বলপূর্বক বিয়ে দেয়া হয়। ৫৪ ভাগ মেয়ের বিয়ে হয় মাত্র ১৫-১৯ বছর বয়সে। এ কারণে অধিকাংশ মহিলা স্বামীর ঘরে নির্যাতনের শিকার হয়। ২. ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো: জেন্ডার ভায়োলেন্স তথা লিঙ্গজনিত সহিংসতায় সবথেকে খারাপ দেশ হচ্ছে কঙ্গো। “আমেরিকান জার্নাল অফ পাবলিক হেল্থ” এর তথ্যমতে, প্রতিদিন সেখানে ১১৫০ জন মেয়ে ধর্ষিত হয়! সে হিসেবে প্রতিবছর ৪ লাখ ২০ হাজার মহিলার ধর্ষণের শিকার হয়। দেশের মহিলাদের স্বাস্থ্যের অবস্থাও খুবই খারাপ। প্রায় ৫৭ ভাগ গর্ভবতী মায়েরা রক্তশূণ্যতায় ভোগে। ৩. পাকিস্তান: কিছু সংস্কৃতি ও ধর্মীয় গোঁড়ামীর কারণে পাকিস্তানে মহিলাদের উপর অত্যাচার করা হয়। বলপূর্বক ও বাল্যবিবাহের প্রচলন রয়েছে। এসিড আক্রান্তের সংখ্যাও কম নয়। পাকিস্তানের হিউম্যান রাইটস কমিশনের মতে, পাকিস্তানে শতকরা ৯০ ভাগ মহিলা স্বামীর গৃহে নির্যাতনের শিকার হয়। ৪. ভারত: নিউইয়র্ক টাইমস এ প্রকাশিত একটি লেখা থেকে জানা যায়, ভারতে গত ৩০ বছরে গর্ভের মেয়ে সন্তান নষ্টের সংখ্যা কয়েক লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। বড় বড় শহরে মহিলাদের সম্মিলিত ধর্ষণ অথবা শুধু ধর্ষণের মাত্রাও অনেক বেশি। বাল্যবিবাহও পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। হাপিংটন পোস্ট মোতাবেক জানা যায়, ভারতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬৭০ জন মহিলা যৌন হয়রানির শিকার হয়! যদি হয়রানি, ধর্ষণ ও হত্যাকে যৌথভাবে হিসেব করা হয় তবে এই করুণ চিত্র গড়ে ৮৪৮ হবে। শুধুমাত্র ২০১৩ সালে ভারতে ৩৪ হাজার মহিলা ধর্ষণের শিকার হয়েছিল! এদের অনেককেই আবার পাচারকারীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছিল। ভারতের রাজধানী দিল্লিতেই মহিলাদের সাথে সমগ্র ভারতে সংঘটিত হওয়া অপরাধের চেয়ে তিনগুণ বেশি অপরাধ সংঘটিত হয়। ৫. সোমালিয়া: ধর্ষণ, বাল্যবিবাহ, বিয়ের পর মৃত্যুর মত ঘটনা ব্যাপকহারে বিরাজমান রয়েছে সোমালিয়ায়। দেশটিতে মাত্র ৯ ভাগ মা বাচ্চা প্রসবের সময় স্বাস্থ্যবান থাকেন। ৬. কলম্বিয়া: এক রিপোর্টে জানা যায়, কলম্বিয়ায় ২০১০ সালে ৪৫ হাজার মহিলা পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল! নির্যাতনের শিকার মহিলারা সঠিক বিচারও পেতনা। কিছু সংস্থা মেয়েদের স্বাধীনতার জন্য কাজ করলেও সংস্থাগুলো সেখানে বেশিদিন স্থায়ী হতে পারেনি। ৭. মিশর: মিশরে যৌন উৎপীড়ন খুবই বেশি। অনেক সময় পর্যটকরাও যৌন নির্যাতনের মত কাজে জড়াতে পারে। বিয়ে, তালাক, শিশু অধিকার এবং পারিবারিক সম্পত্তি বন্টনে মেয়েদের ঠকানো হয়। ৮. কেনিয়া: কেনিয়ার লোকেরা আবাদী জমির উপর নির্ভরশীল। মেয়েদের আয়ের কোন অংশ পারিবারিকভাবে হিসেব করা হয় না। সেখানে পুরুষের তুলনায় মহিলাদের এইডস আক্রান্তের সংখ্যা অধিক। এর দ্বারা বোঝা যায় যৌন জীবনে মহিলাদের নিয়ন্ত্রণ কতটা নাজুক। ৯. মেক্সিকো: এক রিপোর্ট থেকে জানা যায়, মেক্সিকোতে ২০১০-১১ সালে ৪ হাজার মহিলা নিখোঁজ হয়! মেক্সিকোর আইনে মেয়েরা গৃহেও যৌন নিপিড়নের জন্য সুরক্ষিত নয়। সেখানকার আদালত পুরুষদের যৌন নিপিড়নের জন্য উপযুক্ত সাজা খুব কমই দিয়ে থাকে। ১০. ব্রাজিল: ব্রাজিলে নারী নির্যাতন অবাক করার মতই। প্রতি পনের সেকেন্ডে একজন মহিলার উপর হামলা হয়! আবার প্রতি দু’ঘন্টায় একজন মহিলা হত্যা হয়। জগতের সকল জীবের শান্তিময় পরিবেশে, সুশৃঙ্খলভাবে বাঁচার অধিকার রয়েছে। সমাজে পুরুষের পাশাপাশি প্রয়োজন রয়েছে নারীরও। আমাদের দেশেও অনেক সময় অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে থাকে। সমাজে মেয়েদের উপর নির্যাতন, হামলা ইত্যাদির প্রতিকারে যতটা প্রয়োজন আইন তার থেকে বেশি প্রয়োজন আমাদের মানসিকতা, মানবিকতা ও সহমর্মিতা।

img Link Tik koro

Bro thembel deo na ken...


Leave a Reply

Name:

Text:

Color


Related Posts

Hindi Movie
Download Android App for Free
IMO  Teen Patti  Vidmate  more